আমাদের লেখা পাঠান careofsahitya@gmail.com-এ। ভালো থাকুন সকলে। চলতে থাকুক কলম। বলতে থাকুক শব্দ।

প্রচ্ছদ

A SAHITYA-ADDA Initiative C/O:sahitya A BLOG MAGAZIN STAY WITH US THANK YOU
bloggerblogger
কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৪

কবিতাঃ রবের আকাশ // বারীন ঘোষাল


                                                                 
বিজনের কলকন্ঠ শুনতে চেয়ে ফোন করি তোমাকে
তুমি কল খুলে দাও
                 নদী
                      জল নেই
                                রঙ
#
রব-এর আকাশ
                 আকাশের রবে
ঢেউ দোল দোল ফিরে যায়
পুরো মাস্তুল
             আধো স্তন
অপলম চপলম প্রজাপতি আর থামে না
#
তার দুপাতা পাখার কোনটা আয়না
                                  না মালুউউম
#
এই পরীর সোনা যে কোথায় খোয়া যায়

এখন এই জাদুয়ানাটায় হাড় পরাবে কে ছোঁয়াবে

কবিতাঃ চেয়ার মোছো // প্রত্যুষ বন্দ্যোপাধ্যায়



পাগল হওয়ার মতন করে
পালিয়ে যেতে চাইছি
হয়তো কাছেই রূপসা নদী
এবং তীরে বৈঠা
সাঁতরাবো কি ডুব দেব কি
ভাবতে ভাবতে গামছা
ফাঁকা কলসি বাজতে বাজতে
এগিয়ে গেলো সামনে।

অন্তত এই ল্যাজেগোবর
অবস্থাটা পাল্টাক
দাঁত ক্যালানো চতুর্মুখে
রাংতা রোদে ঝিল্‌কি
আজ বুনেছি কাল কাটবো
সুদআসলে মস্তি
কালি এলো কলম এলো
কাগজ শুধুই নুন চায়।

নুন না এলে গুণ না এলে
পান্তা ভাতে টাক্‌না
বারুদ মরা কাঠি কেবল
মধ্যরাতে ঠোকরায়
ছাই ফেলেছি কুলোও ভাঙা
কুলো মানেই চক্কর
বিষ ঝাড়বে এক পা পাজী
কাজির ঘরের আয়না।

বায়না করার আগে এবার
একটুখানি থমকে
পিছন ফিরে দেখলে পারো
বাঁশ কতোটা ঢুকলো
গড়গড়িয়ে ট্রেন আসবে
গলা যখন পাতলা
আপাতত মাচায় উঠে
চেয়ার মোছো খ্যামটা ।।


কবিতাঃ মিডিওকার // রঙ্গীত মিত্র

পুরোনোর কাছ থেকে নতুনের  শেয়াদা হাওড়া ;
কিন্তু কে দূরের ,কেই বা কাছের?
তবে কাল এক পুরুষ মেধা
আমাকে জানায়
মেয়েরা যতই শিক্ষিত হোক
তারা না কি সবাই সমান
আমি তবু সে কফির টেবিলে বসে ছিলাম
আমি বসেছিলাম কবিতা লেখার উদ্দেশ্য
যদিও তার চারপাশে মাছ ধরার খেলা
তারারাও আসে প্রদক্ষীণ করে চলে যায়
আমার ভিতরের বোধ এইভাবে এক মিডিওকারের জন্ম দেয়

কবিতাঃ কৃষি // রেহান কৌশিক

শতাব্দী প্রাচীন ঘুম মুছে ফেলে চেয়েছি জাগাতে
নিজের ভিতরে থাকা সব রং আলোর ফসল।
অন্ধকারে আর নয়, আলোশস্যে সাজাবো তোমাকে
ঠোঁটের কিনারে ঠিক জ্বেলে দেব রৌদ্রমাখা জল...

তাকাবে স্পষ্ট আবার? বাজাবে ঘুঙুর কাছে এসে?
আবির ওড়ানো দিনে ফিরে যাব পুরনো শহরে,
হারানো সুড়ঙ্গ খুঁড়ে তুলে আনব ধুলোগান আর
যে লাবণ্য নিভে গিয়ে ঘুমিয়েছে বিমর্ষ পাথরে!

মৌন দাঁড়াও এখানে। বুনে দেব তোমার ভিতর

আমার সমস্ত ভাষা, মুঠো ভর্তি সমস্ত অক্ষর... 

কবিতাঃ সুপ্রিয় মিত্রর দুটি কবিতা

খেয়ালী রাজার খাম / সুপ্রিয় মিত্র
*****************************
আঢাকা রাজত্ব
রাজ্যের সমস্ত নির্মাণ-নিদর্শন বর্তমানেনবীন ভঙ্গিল ছাদ !  
প্রজাদের বুকে বুকে সেই কবে হরিলুটের বাতাসার মতো
আছড়ে পড়েছে আকাশ আর তারা নেই, মাথার ওপর
পতপত করে ওড়ে অনন্ত মাদুর
#
আকাশেরা তো প্রাচীনতম আঠা
মায়েদের আঁচল অবধি লেগে থাকা
অন্ধকারের মেদুর গন্ধ ;
সে আঠায় জুড়ে , খামে পোরা ভেসে আসে
সীমান্তের হাওয়া রাজা দিক হারিয়ে ফেলতে থাকে
বেঁচে থাকা - বেঁচে ফিরে আসার ...   উদাস 'রে যায় ঘুমের ওপার
#
সকাল রাতের যে নিঃশব্দ পারাপার,-
চলায় চলায় শূন্য করে দেয় সমস্ত আহত ভরাট....
শত্রুর আক্রমণ কেঁদে ফিরে গেছে  এরইমাঝে
রাজার মা অতি সন্তর্পণে খাম খোলেন ,
অথচ আঠার চিড়বিড় শব্দে ডেকে ওঠে
ধ্রুপদী পাখি , সন্ন্যাসী মাছ , তপস্বী জলের ছলাৎ...
#
তারপর রাজা আর পড়ে না, কি লেখা আছে
চিঠির ভিতরে পড়েনা কোনো সভাসদ প্রজা পড়শী
ছাদের আশে পাশে জমে ওঠে    চিঠির পাহাড়


না পড়া শব্দ
শব্দের উচ্চারন
ততক্ষণে নিভিয়ে দিয়ে গেছে রাজ্যে ঘুমের যাতায়াত , আর 
এপারে ওপারের অভিশপ্ত মাঝে
বোবা নদী হয়ে বয়ে যান খেয়ালী রাজা ...

রাজ্যের মাতৃস্থানে নাব্যতা গভীর করে

ক্রমশ মিহি মিহি খামের ইতিহাস....




জনি জনি / সুপ্রিয় মিত্র
*****************************



ঠোঁটের কুলুপ দিয়ে হিংস্রতা ঢেকেছিলে কিনা,
চুম্বন নয়, তুমি উজ্জ্বল সপ্রতিভ দাঁত লোকানোয় ব্যবহার করো!
শ্রদ্ধায় মাথা নত করা , সে তো ছোটলোকের স্বভাব
আমরা শিখেছি আর শিখিয়েও নেব-
জনির আঙুলে কতখানি নখ রাখা উচিত
কত ডিগ্রীর আনত চোখ খুঁজে নিতে পারে স্তনের বাচালতা
কন্যে কেন শাড়ি পরতে শেখেনি, হায়! হায়!
বলো হরিবোল! দাঁতের কারুকাজ
মাংস টেনে ছিঁড়ে নিতে পারি
আমাদের গায়ে মানুষের রক্ত বইছে তাজা
আমরা ব্রাশ করে ঘুমোতে শিখেছি
ঘুমকে ছেড়েছি ব্রাশ করে
আমাদের হাসি হতে হবে নিখুঁত
আমাদের খেতে শেখা মুখ খানি একটুকু ফাঁক করে
ঠিক বলেছ কাকু , আমরা চুমু খাব কেন?
জনি তোমার বাপ তুখড় চালাক
অট্টহাস্যে জানা ছিল প্রকাশ্য হবে চিনির সুঘ্রাণ !
জনি তুমি পোগো দ্যাখো... তোমার বাপ-মা হলিউড দেখে
স্বপ্ন দেখতে শিখেছে - রাতের বিছানা তামাম নিউইয়র্ক
প্রেমেরযুগলবন্দী ইতস্তঃত হাঁটাচলা
কদমে কদমে ঠোঁটের বিনিময়...
অথচ তোমার মা-বাপ সকাল হলেই ছিটকে যাচ্ছে কেন?
                      #
প্রচণ্ড সকাল। জনি এখন পোগো দেখছে। ছিটকে যাওয়া দেখছে।
লুকিয়ে পাশের চ্যানেলে দেখছে- ধর্ষণের খবর~
ধর্ষক - ধর্ষিতা উভয়েরই মুখ ঢাকা। ওরাও ছিটকে গেছে বুঝি!
#
জনি বড় হল!
জনি, চুমু খেয়ে ফিরিয়াছে বাড়ি
জনি'র দাঁতের ফাঁকে চুমুর মাংস লেগে নেই...
জনির গার্জেন মুখ হাতড়ে কিচ্ছু খুঁজে পাচ্ছেনা
একান্ত বোকাবাক্সও জানে - তখন
শহর জুড়ে চুমুর ব্যারিকেড।
জনির পিতা মাতা নিউইয়র্কের রাস্তা চিনতে পারছেনা ।
চেনা রাস্তা গুলিয়ে ফেলছে বারেবার!
জনির গার্জেন জনিকে আর চিনতে পারছেনা...
#
জনি আর কেউ নয়...
জনি সেই রাস্তা, যেখানে দাঁড়িয়ে কিছুজন
এই কবিতা পড়ছে ...
কেউ বলছে- বাহ! আমাদের বোকামিকে পেরিয়ে এসেছে মানুষ
কেউ ভাবছে- জনির বাপের চালাকি নিয়ে
আর কোনো ছড়া কবিতা লেখা হচ্ছেনা কেন...!









কবিতাঃ যোগ লেখাযোগ যোগাযোগ // সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

কতটা লেখাযোগ থাকলে 
একটা কবিতা নিজের হয়ে ওঠে! 
আমি প্রতিবার কবিতার আঁচল ছুঁয়ে দেখি দেখি 
প্রতিটা কবিতার মধ্যেই একটা গল্প লুকিয়ে থাকে 
ফিরে আসার গল্প 
ফিরে যাওয়ার গল্প। 
যারা ফিরে আসে হাতে হাত রেখে 
তাদের সাথে কবিতা রাত্রি যাপন করে 
গন্ধে স্পর্শে পাতায় পাতায় রেখে যায় বিনিদ্র রাত্রির ছাপ 
কবিতার সাথে কবিতারাও আসে, কবিও আসেন 
এতদ্বারা পান্ডুলিপির সৎকার হয়। 
পাতা উল্টে ফিরে যাওয়ার গল্পে চোখ পড়ে আমার 
সমস্ত বন্ধ করা মুখ আর কলমের মাপ নি 
এ কলমের কালি তো ছিল 
এ চোখের দোয়াত তো শেষ হয়নি 
তবে কি ছাপ রাখা কাগজের মালিক বদলে গিয়েছে 
নাকি কাগজের মালিক ফিরে আসা কেউ! 
কবিতা আমার চোখে চোখ রাখে 
মৃত কান্নায় জানিয়ে দেয় 
প্রতিটা কবিতার মধ্যেই একটা গল্প লুকিয়ে আছে 
সে গল্পে আমি যোগাযোগ বিহীন ব্যর্থ প্রেমিক। 


কবিতাঃ হত্যাকুম্ভ // ঋক সৌরক


এক শুভসন্ধ্যায় তার অপমৃত্যু ঘটল

তারপর অপচয়ী সোহাগস্তব
বিধুর জলজ লিফাফা
অসংনম শৈশব অনুবিক্ষত
কুঁজ থেকে উবে যায়
ইতিহাস
পেরিয়েছি কতো শীতল স্পর্ধা
যুদ্ধের নীল-লাল পার্শ্বরেখা
ফোটালো মিথ্যে চাঁদ অপুষ্পা
স্পর্শমূহ্য ছুতমার্গ

স্ক্লেরায় বিষের স্তর – তীক্ষ্ণ আবেশ
লেট মি টেস্ট ইওর ক্রাই
কোলকাতা নাভি ওঠে পচা গন্ধে
মরে যাও এবং মরতে দাও

শুভসন্ধ্যায় কুপিয়েছি দুর্বলতা
তারপর শব্দপরাগ
শব্দপরাগ ডিজিট্যাল

এক বিশেষ পৃষ্ঠায় আটকে গেছি আজন্ম ...

কবিতাঃ সূর্যাস্তের দিকে তাকিয়ে আছো অলৌকিক // সজল দাস

#
মুখের ওপর শুনশান
যে নৌকো পড়ে আছে, তার দিগন্তে
একটা চিল উড়ে গেল
#
এত সূক্ষ্ম ফোঁটা, যে
ছাতা ধরতে পারছি না
#
অথবা
#
এতই সূক্ষ্ম ছাতা, মনে হয়
ভিজবো বলেই দাঁড়িয়ে আছি, কতকাল...

কবিতাঃ শীত এসেছে ডিসেম্বরে //দেবায়ন ভট্টাচার্য



হালকা আলোয় রাস্তা ঘেরা
এদিক ওদিক চাদর গায়ে
ত্রস্ত শহর পারদ মাপে
শীত কি এল ডিসেম্বরে ?

গরম তোমার শরীর ঢাকে
নরম বালিশ -লেপ বিছানায়
শীত তো ভীষণ অলপ্পেয়ে
যতক্ষণ আর থমকে দাঁড়ায়

ফুটপাথে যে লোকটি শুয়ে
তার কাছে শীত শীতলতম
তোমার নিখাদ আনন্দ হয়
অফিস পাড়ায়  ছুটির চমক

ঘর ভেঙ্গে ঘর উঠবে ভেবে
কেউ স্বদেশেই ভিন্নগ্রহে
কেউ পাশবিক আনন্দ পায়
শীত সাজানো নিথর দেহে

চোখ থেকে চোখ পূর্ণ গ্রহণ
ধীর ব্যবধান এগিয়ে চলায়
নিন্দুকেরা যে যাই বলুক
শীত কে দারুণ  আগুন মানায়

আমার এসব  বন্য লাগে
আমরা খুঁজি সঙ্গী সাথী
শীত এসেছে ডিসেম্বরে
শীত মানে তো চড়ুইভাতি !







কবিতাঃপট পরিবর্তন // বেনামী



#
সময় বয়ে গেলে কালো জোৎস্নার রঙ আরও গাঢ় হয়,
স্লিপারে উপুর হয়ে থাকা বেদনার ওপর বাড়ে  
কেবলই গতিময় আনাগোনা, 
অবশেষে শরীরী ছদ্মবেশে বেঁচে থাকা !

#
বহুদূরে একটা শস্যমুগ্ধ মাঠ
তবু ক্ষুধার্ত শিশু পৌষের আগুন জ্বালায়...
বাসে করে চলে অশান্ত কবর নিয়ে।

#
চেতনা অতিক্রম করে যায় ভবিষ্যৎকে
সময় জেগে থাকে,
পট পরিবর্তন হয়,
মানুষ সময় কেনে, সময় বেঁচে দেয় !!



-----------------------o---o---o-----------------------   

কবিতাঃ ধাপ্পা //সেলিম উদ্দিন মণ্ডল

আমি সিস্টেমের ভিতর থেকে বেরোতে পারিনা। আমার অসুস্থতা, আমার মন খারাপ,সব শবের সমাধিস্থ ।আমার বিহ্বলতার নাম দিয়েছি 'মন কেমনের রাস্তা'এই রাস্তায় গলি নেই।আলো নেই।অন্ধকার নেই।ফুটপাত ধরে শুধুই হেঁটে চলা।সামনে ছায়া, পিছনে ছায়া আর ভিতরে যুগ যুগ বেঁচে থাকার মায়া।এই বেঁচে থাকার নাম দিয়েছি 'আত্মহনের চৌরাস্তা'চৌরাস্তায় আমার প্রেমিকারা থাকে।আমার বন্ধুরা থাকে।আমি দেখতে পাই না।তবে পিছন থেকে মাঝেমাঝে কারা যেন বলে 'ধাপ্পা','ধাপা'

কবিতাঃ ঔদার্য // তন্ময় ভট্টাচার্য্য



ঝিমিয়ে পড়েও আঙুলের ফাঁকে ফুল রেখে এসেছি
এখন ওদের সময় হয়েছে নিশাচর হয়ে ডানা মেলবার
আসলে আলোয় সবাই সহজ নয়

যেহেতু মানুষ এখনো মরেনি
প্রয়োজন হাত উপুড় করেছে হাওয়ার এবং নীচের জলজ বিশ্রামে

চোখ বুজে আমি তাকিয়ে রয়েছি ওর দিকে
ইচ্ছে করেই রাস্তা হারিয়ে যে ভাবে,কিছুটা দেখেও দেখিনি
শুনেও শুনিনি মনান্তরের হেডফোনে


ঘুমোচ্ছি আর তাল মেলাচ্ছি একসাথেই

কবিতাঃ তুমি যাবার পরে... // সেখ সাহেবুল হক

যে চোখ ছিলো ডাহুকের,উরুতে মেহগিনির ঘ্রান
তাকে বুকে আঁকড়ায় ধারের খাতা– যদি সাংবিধানিক ভুল চোখে পড়ে।
হাতের লাল সুতোয় ছিলাম যতটুকু আমি, তাতে কাঁটাতার বিছিয়েছে ধর্মপ্রাণ
পেনসিল ডগায় প্রেম আত্মঘাতী থলি...
ডিএনএর প্যাঁচে নিষিদ্ধ আখ্যানমঞ্জুরি মুখোমুখি জেনেটিক্স ক্লাস
ভালোবাসার সিক্ত আঁশ – হাতে মেখে বসেছিলো বিকেল।
আছে আবছা ময়দান, জবজবে বিধর্মী ঘাম।
অনিচ্ছার রুমাল ফেলে আর ফেরোনি...  

প্রত্যেক পাঁচিলের গায়ে সম্প্রীতির নীরব বিজ্ঞাপন সাঁটি
আমার ধারের খাতা লিখেছে –

ভিখারি আর প্রেমিকের চাহিদা আলাদা বলে মানুষ ভালোবাসে।

শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৪

কবিতাঃ রবের আকাশ / বারীন ঘোষাল



বিজনের কলকন্ঠ শুনতে চেয়ে ফোন করি তোমাকে
তুমি কল খুলে দাও
                 নদী
                      জল নেই
                                রঙ
#
রব-এর আকাশ
                 আকাশের রবে
ঢেউ দোল দোল ফিরে যায়
পুরো মাস্তুল
             আধো স্তন
অপলম চপলম প্রজাপতি আর থামে না
#
তার দুপাতা পাখার কোনটা আয়না
                                  না মালুউউম
#
এই পরীর সোনা যে কোথায় খোয়া যায়
এখন এই জাদুয়ানাটায় হাড় পরাবে কে ছোঁয়াবে
CSS Drop Down Menu
আমাদের লেখা পাঠান careofsahitya@gmail.com- এ মেল করে।