আমাদের লেখা পাঠান careofsahitya@gmail.com-এ। ভালো থাকুন সকলে। চলতে থাকুক কলম। বলতে থাকুক শব্দ।

প্রচ্ছদ

A SAHITYA-ADDA Initiative C/O:sahitya A BLOG MAGAZIN STAY WITH US THANK YOU
bloggerblogger
অনুবাদ কাব্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অনুবাদ কাব্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ১৮ জুন, ২০১৪

অনুবাদ-কাব্যঃ মৈনাক আদক


কবি: আলফ্রেদো পেরেস আলেনকার্ত
দেশ: স্পেন
ভাষা: স্প্যানিশ
[ কবি, প্রাবন্ধিক স্পেনের সালামানকা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'কাজের অধিকার' বিষয়ের অধ্যাপক
আলফ্রেদো পেরেস আলেনকার্ত
জন্ম লাতিন আমেরিকার পেরুর পুয়ের্তো মালদোনাদো শহরে ১৯৬২ সালে ১৯৮৭ থেকে সালামানকায় অধ্যাপনা ২০০৫ নির্বাচিত হন 'আকাদেমিয়া কাস্তেইয়ানা' 'লেওনেসা দে লা পোয়েসিয়া' সদস্য নির্বাচিত হন ১৯৯৮ থেকে ইবেরো-আমেরিকান কবিদের সভার সংগঠক, বাৎসরিক ফুন্দাসিয়ন দে সালামানকা সিউদাদ দে কুলতুরা' উৎসবের পরিচালক অতিসম্প্রতি কারাকাস শহরে আন্তর্জাতিক কবিতা পুরস্কার 'মেদাইয়া ভিসেন্তে খেরবাসি'তে ভূষিত হয়েছেন, ২০০৯ পেয়েছেন 'হুয়ান দে বানিও' কবিতা পুরস্কার তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কবিতার বই: ' বানানের ইচ্ছা' (২০০১), 'মা সেলভা' (২০০২), 'আমাপারো বিদোনের তৃতীয় পুত্রের প্রতি অর্ঘ' (২০০৩), 'আত্মার চামড়ায় ঢাকা পাখি' ( ২০০৬), 'কর্মরত মানুষ' ( ২০০৭), 'আত্মার খ্রীষ্ট' (২০০৯), 'সাভিয়া আন্তিপোদিয়ান' (২০০৯), 'শোনো হে ভাইসকল'(২০০৯)  তাঁর কবিতা অনুদিত হয়েছে পোর্তুগিজ, জার্মান, ইংরাজী, রুশ, ইতালিয়, জাপানিজ, হিব্রু, বুলগেরিয়, এস্তোনিয়, ভিয়েতনামিজ, কোরিয়ান, রুমানিয় ইন্দোনেশিয় ভাষায় এই প্রথম অনুদিত হল বাংলায় কবির লেখা নিয়ে একটি দীর্ঘ বই লিখেছেন ভেনেসুয়েলার লেখক এনরিকে ভিলোরিয়া, বইটির নাম 'পেরেস আলেনকার্ত: আশ্চর্য কবিতা' ]
অনুবাদক: মৈনাক আদক

                                                                     কুয়াশার আড়ালে হারিয়ে যায়
                                                                                     তোমার রক্তাক্ত
                                                                                          শব্দাবলী ।
                                                 
                                                                                 তাদের গভীর থেকে
                                                                                  আর বেরিয়ে আসে
                                                                                       সেই শব্দাবলী
                                                                                   যারা আঘাত হানে

                                                                                    অভিগমন করো
                                                                                  আরও আলোকিত
                                                                                        মাটির পানে,

                                                                                          সেই পথে
                                                                              যে পথে তুমি কখনো
                                                                                     হারিয়ে যাওনি।

পূর্বাভাস

দূরবর্তী,
কম্পমান ডালপালার উচ্চতায়
হামিংবার্ডের নিঃশব্দ উড়ানে,
জানায় তার সু-সংবাদ
পূর্বাভাস।

এভাবেই কিছু পাক খায়
ধোঁয়ার মতো যে হাওয়া আর
আছড়ে পড়ে না।

অনন্ত আকাশে
মধু আর ছাইয়ে লেখা
বার্তা পড়ি।

সুদৃঢ় সূর্যোদয়
রাস্তা খুলে দেয় প্রারব্ধ
প্রত্যাবর্তনের জন্য।

আমার শিরায়-শিরায় ওড়ে এখন
হামিংবার্ড।

যখন ওয়াল স্ট্রীট ভেঙে পড়ে

আমার কখনো ছিল না
আজও নেই
অর্থপ্রাপ্তির কাজকর্ম
এতটুকুও

আমার ভোগদখলে শুধু
বাতিলপ্রায়
দুই দরজার একটা গাড়ী,

আর সস্তার একটা ফ্ল্যাট
আমার ছোট্ট শহরের
উপকণ্ঠে

স্বীকার করি, দিশেহারা
লাগেনি আমার
যখন সংবাদের শিরোনামে চোখ রাখি:
"নিউ ইয়র্কের শেয়ারবাজারে
কালো সোমবার"।

আর টর্মসের পাড়ে বসে
প্রাতঃরাশ সারি চুপচাপ,
যখন ভেঙে পড়ে
ওয়াল স্ট্রীট।

বাড়ি ফেরা

একটা কুকুর শুঁকেছিল
আগন্তুক আমার পোশাক
দীর্ঘ ভ্রমণের শেষে।

অতীতে ফিরে তাকানো নয়।

গতকাল এসেছি
গ্রামের প্রবেশদ্বারে
কিন্তু কুকুরটা
ছাড়ে না আমায়।

যদিও
ওকে দেখালাম আবেগপ্রবণতা
 বা এখানকার ঠাকুর্দার
ছবি।

দুহাত ছড়িয়ে
এই মাটিতে
অতর্কিতে আক্রমণ করল আমায়
অভিবাদনের
শাখাপ্রশাখায়।

আন্তরিকতা

একটি মাকড়সার জাল
ধাবমান,
দিগন্ত আড়াল করার
স্বপ্নপূরণ করছে।

কিছু নোংরা হাত
আর বেশিটাই
অনাগ্রহ।

আর তুমি
খুঁজছো বিতৃষ্ণা আর
ব্রণ অপসারণের উপায়
যারা চাপিয়ে দেয় তাদের পছন্দ-অপছন্দ।

সৎ হওয়ার জন্য
এ সেই দুর্বলতা
যা তোমায় শক্তিশালী করে।

পোস্টার

রাস্তায় একটা লোক
পোস্টার দেখায়: "চাকরী নেই
খাবার নেই"।

জবরদখলের সময়, চোখ বন্ধ করে
আর ঠোঁট কামড়ায়
অবিরত।

চেয়ে থাকি চলে যাওয়ার শেষ পর্যন্ত
কেননা,অনেক আগেই
সে ক্লান্ত-বিপর্যস্ত।

তাহলে এবার সাহায্যের হাত বাড়ানো যাক:
এটাই উপস্থাপনযোগ্য।


[ সব কবিতাগুলি কবির 'যেভাবে পথ চলি' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া, প্রথম কবিতাটি মুখবন্ধের শিরোনামহীন কবিতা। ]

অনুবাদ-কাব্যMOTHER AND THE DAUGHTER / Ankur Kundu

                  (কবি জয় গোস্বামী-র লেখা “মা আর মেয়েটি” শীর্ষক কবিতার ইংরাজী অনুবাদ) ৷

                                                  One way is at sleeping-feet
                                                   One way is in the ferriage
                                                   One way is on the feather
                                                   Mother I know all the way
                                                  
                                                   Day stops beneath the tree
                                                   Night haults at the fairy-house
                                                   The light ascends through the staircase
                                                   Mother I can execute all light-rays

                                                   This sky grinds very often
                                                   That sky overwhelms with cloud
                                                   In another sky the ferry is unloosen
                                                   Mother I am the starry sky
                                                  
                                                   Mother I’ve a lake full of water
                                                   The whole village is overflown…

                                                   ‘Oh ! Poor lady, my eyesore
                                                   Again you’ve fallen in love ?’


মূল কবিতাঃ 
                                                    এক পথ ঘুমন্তের পায়ে
                                                   এক পথ নৌকার পারানি
                                                   এক পথ পালকের গায়ে
                                                   মা আমি সমস্ত পথ জানি

                                                    দিন থামে গাছের তলায়
                                                   রাত্রি থামে পরীদের বাড়ি
                                                  সিঁড়ি দিয়ে আলো উঠে যায়
                                                  মা আমি সমস্ত আলো পারি

                                                 এ আকাশ ভাঙে মাঝে মাঝে
                                                  ও আকাশ মেঘে আত্মহারা
                                               সে আকাশে নৌকা খোলা আছে
                                                  মা আমি আকাশভরা তারা

                                                    মা আমার এক দীঘি জল
                                                   সারা গ্রাম করে ছলোচ্ছল…

                                                  ‘পোড়ামুখী, দু চক্ষের বিষ
                                                   ফের তুই প্রেমে পড়েছিস ?’

রবিবার, ১৮ মে, ২০১৪

অনুবাদ কাব্যঃ I AM WAYWARD / Ankur Kundu

শক্তি চট্টোপাধ্যায়
 (২৫শে নভেম্বার, ১৯৩৩-২৩শে মার্চ, ১৯৯৫)

What is that severe uproar
‘Whose corpse is floating in water
Where was his stroke ?’
 Surging waves of the night say-- ‘I am wayward.’

Is the river in living or in death
Entirely and suddenly
Felicitated like this ?
Who knows whether poison or pure beverage
Only nectar is venom !
Fatigue is flourished always in intellect 
What is that severe uproar
‘Whose corpse is floating in water
Where was his stroke ?’
Surging waves of the night say-- ‘I am wayward.’


মূল কবিতাঃ   


আমি স্বেচ্ছাচারী
শক্তি চট্টোপাধ্যায়

তীরে কি প্রচণ্ড কলরব
‌'জলে ভেসে যায় কার শব
কোথা ছিলো বাড়ি ?'
রাতের কল্লোল শুধু বলে যায়-- 'আমি স্বেচ্ছাচারী।'

সমুদ্র কি জীবিত ও মৃতে
এভাবে সম্পূর্ণ অতর্কিতে
সমাদরণীয় ?
কে জানে গরল কিনা প্রকৃত পানীয়
অমৃতই বিষ !
মেধার ভিতর শ্রান্তি বাড়ে অহর্নিশ।
তীরে কি প্রচণ্ড কলরব
‌'জলে ভেসে যায় কার শব
কোথা ছিলো বাড়ি ?'
রাতের কল্লোল শুধু বলে যায়-- 'আমি স্বেচ্ছাচারী।'

মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৪

অনুবাদ কাব্যঃ বর্ষার গান / ইন্দ্রাণী ভট্টাচার্য

খলিল জিবরান
(জানুয়ারি 6, 1883 - এপ্রিল 10, 1931)
লেবাননের একজন শিল্পী, কবি ও লেখক।
আধুনিক লেবাননের উত্তরে বিশাররি
(Bsharri)শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
পরবর্তীকালে পরিবারের সাথে মার্কিন
 যুক্তরাষ্ট্রে স্তানান্তরিত হন এবং সেখানেই
সাহিত্য জীবন শুরু করেন, সাথে সাথে আর্ট
 নিয়ে পড়াশোনা। তিনি ইংরাজি এবং আরবি
উভয় ভাষাতেই সাহিত্যচর্চা করেন।
আরব বিশ্বের, জিবরান একজন প্রখ্যাত
 সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক বিদ্রোহী হিসাবে
গণ্য হন। আরবি সাহিত্যে তার রোমান্টিক
 শৈলীর কবিতাগুলিকে রেনেসাঁস যুগের
সম্পদ বলে গণ্য করা হয়।  
রুপোলী তারেতে গ্রন্থিত আমি, স্বর্গ-ছেঁড়া ধন, দেবতার আশিস,
আমাকে দিয়েই প্রকৃতি সাজায় উপত্যকা, খেতের ধানের শীষ.

ইশ্তার-দেবীর মুকুট- মুক্তো, ঊষা-কন্যা আনিত
করিতে তারি বাগান সুশোভিত.

ঝরলে আমার অশ্রুবারি, পাহাড় হাসে তাতে
আমার বিনম্রতায় ফুল আনন্দেতে মাতে.
হলে আমি নত, পৃথিবী গর্বিত.

প্রান্তর ও মেঘ! প্রেমিক তারা,
আমি রই সেথা করুণা ধারায়,
তৃষ্ণা মেটাই একজনারই
আরোগ্য দিই অপরজনায় 

বজ্র-নিনাদ ঘোষণা করে, আগমনের বার্তা মোর,
হারাই আমি ইন্দ্রধনুর রথে.
জন্ম নিয়ে, পার্থিব জীবনে,
উন্মাদ প্রকৃতির শক্তি নিচয়ে,
ফুরিয়ে যাই, উদীয়মান মরণ পাখাতে.

নির্গত হই সাগর-হৃদয় হতে,
ঊর্ধ্বে উড়ে যাই আমি হাওয়ার সাথে সাথে.
দেখা পেলেই তৃষিত ক্ষেত্রের
অবতরণ করি, করি আলিঙ্গন,
ফুলে ও বৃক্ষেরে-
অগণিত, ছোট ছোট পথে.

জানালাতে দিই আলতো পরশ, 
আঙ্গুলের মৃদু ছোঁযায়,
সহজেই হই শ্রুতিগোচর, সুবেদীই চেনে আমায়.

দীর্ঘশ্বাস আমি বারিধির, দিগন্তের অট্টহাসি
অশ্রুবারি আমি স্বর্গ চ্যুত!

ভালোবাসান্তে-
আমিই সে- অগাধ প্রীতি- সাগরের শ্বাস
বর্ণময়, জীবনীশক্তি উত্থিত হাস,
অনন্ত স্মৃতি- পারাবারের অশ্রুবারি.

(Translation of SONG OF THE RAIN
by KAHLIL GIBRAN)

I am dotted silver thread dropped from heaven
by the gods. nature then takes me to adorn
her fields and valleys

I am beautiful pearls, plucked from the 
crown of Ishtar by the daughter of dawn
to embellish the garden.

when I cry the hills laugh,
when I humble myself the flowers rejoice
when I bow, all the things are elated

the field and cloud are lovers
and between them I am a messenger of mercy.
I quench the thirst of the one
I cure the ailment of the other.

the voice of thunder declares my arrival
the rainbow announces my departure.
I am like earthly life, which begins at
the feet of the mad elements and ends
under the upraised wings of death.

I emerge  the heart of the sea and 
soar with the breeze. when I see a field in
need, I descend and embrace the flowers and
the trees in a million little ways.

I touch gently at the windows with my
soft fingers and my announcement is a
welcome song. all can hear but only 
the sensitive can understand.

I am the sigh of the sea, the laughter of the field
the tears of heaven.

so, with love-
sighs from deep sea of affection; laughter
from the colourful field of the spirit; tears
from the endless heaven of memories.

অনুবাদ কাব্যঃ পল্লী-গীতি / অঙ্কুর কুন্ডু


সরোজিনী নাইডু
(ফেব্রুয়ারী 13, 1879- মার্চ 2, 1949)
জন্মগ্রহনকালে  নাম ছিল
সরোজিনী চট্টোপাধ্যায়।
জন্মস্থানঃ হায়দ্রাবাদ
তিনি যেমন ভারতের স্বাধীনতা
সংগ্রামের কর্মী ছিলেন তেমনি
অন্য ধারে কবি
হিসাবেও পরিচিত ছিলেন। 
জলভর্তি কলসী আমার বইতে হবে দূর ,
নিঃসঙ্গ এই পথ দূর অতি দূর বহুদূর ,
কেন , ওগো কেন আমি অপেক্ষার আকর্ষণে
প্রলুব্ধিত ছিলাম ঐ মাঝির গানে ?
রাতের আঁধার আজ দ্রুতবেগে নামছে ,
শোনো , ঐ শোনো , ওটা কি শুভ্র সারস ডাকছে ,
ওটা কি বন্য পেঁচার কান্না শোনা যাচ্ছে ?
এই পথে করুণ চাঁদের কণা ছোঁবে না আমাকে
যদি এই আঁধারে এক সাপও কামড়ে ধরে
অথবা যদি এক অনিষ্টকারী প্রেতও আঘাত করে আমাকে ,
রাম হে রাম ! মরে যাবো আমি ৷
ভাই আমার গুনগুন স্বরে বলবে , ‘কেন তার এত বিলম্ব?’
মা আমার অপেক্ষা করবে এবং কেঁদে কেঁদে
বলবে , ‘হে ভগবান ওকে সুরক্ষায় মুড়ে এনে দাও ,
যমুনার জল যে বড়োই গভীর’ ….
সেই যমুনারই জল বয়ে যায় দ্রুত ,
নিবিড় সন্ধ্যাচ্ছায়া ঘনিয়েছে ,
যেমন কালো পাখিগুলো আকাশের বুকে ……
হায় ! যদি নেমে আসে ঝড় , কোন্ অমঙ্গলের আঁচড় ?
বিদ্যুৎের নজর এড়িয়ে কোনখানে পাবো অগোচর ?
যদি না আমার পদচিহ্ন খুঁজে পথ দেখাও তুমি ,
 রাম হে রাম ! মরে যাবো আমি ৷

[A translation of Sarojini Naidu’s poem “VILLAGE SONG”].


Full are my pitchers and far to carry,
Lone is the way and long,
Why, O why was I tempted to tarry
Lured by the boatmen’s song?
Swiftly the shadows of night are falling,
Hear, O hear, is the white crane calling,
Is it the wild owl’s cry?
There are no tender moonbeams to light me,
If in the darkness a serpent should bite me,
Or if an evil spirit should smite me,
Ram Re Ram! I shall die.

My brother will murmur, ‘Why doth she linger?’
My mother will wait and weep,
Saying, ‘O safe may the great gods bring her,
The Jamuna’s waters are deep…’
The Jamuna’s waters rush by so quickly,
The shadows of evening gather so thickly,
Like black birds in the sky…
O! if the storm breaks, what will betide me?
Safe from the lightning where shall I hide me?
Unless Thou succor my footsteps and guide me,
Ram Re Ram! I shall die.
CSS Drop Down Menu
আমাদের লেখা পাঠান careofsahitya@gmail.com- এ মেল করে।