আমাদের লেখা পাঠান careofsahitya@gmail.com-এ। ভালো থাকুন সকলে। চলতে থাকুক কলম। বলতে থাকুক শব্দ।

প্রচ্ছদ

A SAHITYA-ADDA Initiative C/O:sahitya A BLOG MAGAZIN STAY WITH US THANK YOU
bloggerblogger

মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৪

কবিতাঃ ফ্রাইডে নাইট / ঋষি সৌরক


যেসব ভ্রান্তি থেকে দর্পনশোর ওঠে এক-একটি জাগতিক রুদালী ফোকাস আতসে ফুটন্ত 

মাঝে মাঝে ভাবি রাজকীয় কবিতা লিখি। তখনই ভেঙ্গে পড়ে অন্ধকার।  পাজলের টুকরো টাকরা ফাঁক টুকরো টাকরা ফোঁকর। কবেকার নষ্টালজিক সর্দি গলনাঙ্ক ছুঁয়ে আজ নেহাতই সরল ও তরল। অন্ধকারের লেজ অন্ধকারের মুড়ো - শুরু এবং শেষ গুলি অনুমান গ্লু’তে স্থিতিবদ্ধ, একজনের পেছনে একজন কে লেলিয়ে দেওয়া চারটিখানি কথা না- তাতে কি?  অন্ধকার তো!

আপনি মন খুলে কবিতা লেখেন, শব্দের জাত শব্দের পাত শব্দের রঙ এসবের চেয়ে অনেক ঊর্ধ্বে এক-একটি শব্দ আপনার কুণ্ডলীজাত বাবল্‌। যেভাবে নির্বিশেষ নারী ভূষণগুলি পেতে দেয় থইথই - তার হৃদয়মূলক নুড়িপাথরে আনচান ওঠে, সেই বিমোহিত বিস্ময়ে আপনি শব্দ নিয়ে ওলট-পালট খেলেন। আর কি কায়ক্লেশে বড়লোক বাপের উড়নচণ্ডী ছেলে "খোলা দরজা" দেখিয়ে দেন... আপনি বুঝে উঠতে পারেন না, এই দরজার বাইরে জগৎ, নাকি ভেতরটাই বাইরে ... 

যেসব লেখা অনেক আগে লেখা হয়ে গেছে সেসব লেখা আজো লেখা হয় এবং আবারো লেখা হবে ... কবি আপনি রাজা না ভিখারী?  খুনী না শহীদ?  তর্জনী না মধ্যমা - পাঠক কাদের বলে?  যারা রেসিপিতে না রাঁধুনিতে বিশ্বাস করেন! আপনি রেসিপি হবেন, না রাঁধুনি?  পাঠক হবেন না, পাঠ ...
ফুল ফোটেনি তো বসন্তের কি?

 সিনিয়র গিরগিটিরা এত যে ত্যাগের বাতেলা মারেন - এই গেরুয়া এই একটি তার এই নির্বানের প্রতি ইনফ্যাচুয়েশান বিদেশী আলোতে বিভাজন কেমিস্ট্রি ... আপনি কি দেখেছেন তাদের লেজ বলে কিছু নেই - দুদিকেই মাথা! যে জলে  নিজের স্পষ্ট ছায়া দেখতে পাওয়া যায় টলটলে, সেই জল অন্যের কান্নায় দূষিত - তাই মরার আগে নিজেকে কামড়ান! জোরে ... আরো জোরে ...

এভাবেই প্রকট শব্দেরা খেয়ে ফেলছে প্রচ্ছন্ন শব্দদের ! আন্দাজে ঢিল ছোঁড়ার মত মায়াবী ... ফিরে আসা শব্দ যেন নিয়ে যেতে চায় বহুদূর ... ফিরে না আসা শব্দ ধাক্কা খুঁজছে

তবু অন্ধকারের গন্ধ আছে স্পর্শ আছে কবিরই ভিতর কবিরই বাহিরে । পাজল জোড়া পাজল ভাঙ্গা পরম স্পর্ধায় দরজা হাট ... এ কেমন দরজা যার কোনো অতিক্রম নেই

দুঃস্বপ্নের মাঝে খুঁজি প্রিয়জনের সনাতন হাত
যাদের দৃষ্টি নেই তারাও উঁকি মারে
কয়েদী কবিতায়
দুচোখ-কিশোর তুমি দুচোখ ভরে লেখো
যাদুমুদ্রায় টেনে ধরো শব্দের ইলাস্টিসিটি

বহুতল স্থপতি থেকে যেভাবে নালায়েক
কৈশোর মাঝে মাঝে ঝাঁপ দেয় নিরুপায়
আর টিপিক্যাল শহীদ বা আত্মহত্যা নয়
মৃত্যুকে লুফে নেয় কড়া সমালোচনার খোলাহাঁ 
দর্শকদের বিনীত ভিড়,
পর্দার এপার থেকে ওপা্‌র, শব্দ বিঁধে আছে
তারা শুক্রবার ধরে সংসারের নিউক্লিয়াসে চুমু খায়

এভাবে অনেক আলো অনেক পথ অনিশ্চয়ের
পথ্যবিহীন এলানো বিপ্লব
চুরি যাওয়া ঝলক থেকে মামেগা বর্ণান্ধ ডায়াস
অথবা পিস্তলের শীতলতম নল ও গুড়ুম গুড়ুম গুড়ুম
লেখচিত্রের তুঙ্গবিন্দু তথাপি ফ্যালাসিতল
অন্ধকারের ফাঁক দিয়ে অন্য অন্ধকার ম্যাচিং
হে কৈশোর মাথা ঝাঁকাও
তোমার শব্দের গবেষণাগার-এ ফুটুক
আপোষবিহীন স্বাধীনতা
সমস্ত ক্লাস ছুটি দিয়ে সমস্ত ক্লাস নির্বিশেষে
ভেঙ্গে দাও – গুড়িয়ে দাও – ছিটিয়ে দাও 

শব্দের আধান 
শব্দের আধান 
শব্দের আধান 
শব্দেরাধান 

শব্দেরা ধান

৫টি মন্তব্য:

CSS Drop Down Menu
আমাদের লেখা পাঠান careofsahitya@gmail.com- এ মেল করে।