হেমলক অথবা প্যারাসুট যা ইচ্ছে আমায় দে
ঝুলন্ত সময় শুধুই বেচেঁ থাকা যেন এক প্যারালাইসিস রোগী;
দৈনিক ডাল-ভাত কিংবা একেকটি লম্বা দীর্ঘশ্বাস
যাপন করি রাত দিন মাস খুব বেশি হলে আমৃত্যু।
কৈশোরের লাগামহীন দুটো সর্বনাশী পা
ভুল করে হলেও ছুটে না রঙধনুর পিছু পিছু
চার পয়সার লজেন্সে যে মুখ পূর্ণতা পেতো নোনতা লালায়
গাড় প্রয়োজনে সেখানে ক্রমাগত উৎসব সাজে নিকোটিনের .
ডান পাশের ছেলেটি প্রেম করছে উল্কার বেগে
বাম পাশের মেয়েটি ঢেঁকুর তুলছে একটি পরিতৃপ্ত মিলনের,
চোখ পুড়ে যায়
বুক ক্ষয়ে যায়;
হেমলক অথবা প্যারাসুট যা ইচ্ছে আমায় দে
ধু ধু মরুর বিছানায় একটি আল্পনা আঁকি,
ধূলা বালির ফাঁকে ফাঁকে উড়াই আর ছড়াই
উচ্ছ্বাসিত যৌবনের কিছু হাসিগল্পের ফানুস।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন