হিমালয় স্থির সময়ে দিন গুজরান বর্ষা এসে পড়ে
সমস্ত দুঃখ যেন প্রাচীন কচ্ছপ ।
চলন আপাত স্থবির ,
গতকাল যার দংশনে করুন হল ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় প্রাঙ্গন
গুলজার মেঘ দেখে আরও গভীর করে ক্ষত ।
এমন সংকটময় দিনে বৈকুণ্ঠপাড়ার মৌলি
রোদ হয়ে ঝরে পড়ে উত্তরের ঘরে।
সেদিক আপাতত বৃষ্টিচ্ছায় ।
বাবা নেই। মা খবর রাখেনা - কী
ভুল টাই না করে চলেছে মেয়ে !
রোদে পুড়ে ইতিহাস হয়ে যাচ্ছে দলা-পাকা মাটি ।
কেউ ওকে ধরতে পারে না কেন ?
আমি তো পারতাম কয়েক হাত দূরের পর্দা ছেড়ে দিতে , পারতাম বন্ধ করে দিতে
তিনটে জানালাই।
অথচ বৈকুণ্ঠপাড়ার ছিপছিপে আঁশবিদ্ধ মেয়েটাকে
কে বলবে -
বাড়ির অন্য ঘরে এক দুঃখ খেকো রাক্ষস , রোজকার ঝরে পড়া নোট করে নিচ্ছে খাতায় ...
অন্যদিকে ডাইরির এক একটা পাতায় যেই ইতিহাস প্রস্ফুটিত হচ্ছে
এক একটা পাতা উল্টে দিচ্ছি
ক্রমশ
লুকিয়ে নিচ্ছি
কোন কোন রোদ আছড়ে পড়ল আগে ....


Din k din 2i fatiye di66is
উত্তরমুছুন