রোদ এলে ভুলে থাকি স্মৃতির কাঁপন ৷
এঘরে ঢোকেনা রোদ ৷ কচি শিশু গায়ে মাখে
শীতের অসুখ ৷ আমি কবি হলে আনন্দ পেতাম,
লোভী চিত্রকর যেরকম ঘুরেফিরে চুটিয়ে নিসর্গ আঁকে,
পান করে শূন্যতার হিম; অথবা লেপের ওমে বিবাহিত সুখ
পূর্ণ করে নির্জন সংসার ৷ কাজে মন কিছুতে আসে না ৷ মন থাকে
গাছের হলুদে ৷ চোখে কি স্মৃতির ছুঁচ ? আমি কবি হলে পরিত্রাণ পাই ……
রোদ এলে ভুলে থাকি স্মৃতির কাঁপন ৷
এহাড়ে লাগেনা শীত ৷ মজ্জা ফুঁড়ে উঠে আসে
বিবর্ণ পলাশ ৷ স্মৃতিরা দুচোখ খুলে হেসে ওঠে বসন্তের
রুমাল উড়িয়ে ৷ কবি হলে বিরুদ্ধে যেতাম ৷ চিত্রকর যেরকম
ইচ্ছের স্বরূপ বুঝে হালকা হলুদ রঙে ক্যানভাস ভরে ত্রস্ত নিঃশ্বাসে ……
অতএব রোদের আগুনে ছুঁড়ি
থুতু ও যন্ত্রণা ৷
স্মৃতিরা
দুহাত তুলে নাচছে নাচুক ৷ আমার আকাশ
আমি চিনি ৷ একা ঘর ৷ ফাটা জ্যোৎস্নার মত গন্ধবর্ণহীন
ঋতুর বদল ৷ অসুখে অশোকে একাকার, একা, দীর্ঘাকায় নির্জনতা……
কবি হলে আমিও যেতাম মানুষের
প্রত্যন্ত গভীরে ৷
স্থির পায়ে চলে যেতাম নারীদের যৌন পাদদেশে স্বৈরাচারী
পুরুষের
মত হেঁটে বা অবলীলায়, শীতের সকালে, ফোটাতাম
ফুল, ফোটাতাম
বর্ণময় জীবনের মূর্চ্ছনা, ফোটাতাম স্মৃতি ও সম্ভ্রম……
আমি কবি হলে……..


ভাল লাগলো
উত্তরমুছুন