কবিতা-১
কলির রাধা
ভোঁ করে বিকেলের সূর্য্যকে ভেংচি
দিয়ে উড়ে গেল প্লেনটা
প্লেনের লাল আলোতে চলন্ত শব্দটাকে
দেখছিল জ্বানালা বধু
শা শা করে রয়ে-সয়ে আসে,
বাতাসের বুক ভেঙে-চুরে
হিস ফিস করে মিলিয়ে যায় –
কম্পন রেখে রেখে যায়
প্লেনটা চলে যায়,
শব্দটা কিন্তু থেকেই যায়
রাতে একা বিছানায় শব্দটা বেশ শব্দ
করে কাকে যেন খোঁজে
ওকে ঠাণ্ডা জল খাইয়ে একসময় ঘুমিয়ে
পরে মেয়েটি,
শব্দটা শীতল হয়,
ঘুমায় না –
নিরন্তর খুঁজেই চলে
যাকে খোঁজে সে রিয়াল আনতে গেছে
যৌবনের দামে
চিঠি লিখেছে –
সেখানে সে বুর্জ তৈরি করে,
ছবিও দিয়েছে;
বোঝা গেছে - বুর্জ মানে বিরাট
উঁচু দালান।
চিঠির উত্তরে মাথার ভেতর লাল
অক্ষর চিঁ চিঁ করে উঠল-
বুকের শব্দটাকে ঐ প্লেনে তুলে দাও;
শব্দদূত দেখে আসুক –
একাকী রাতের হাঁসফাঁস কিভাবে মরুর
বুকে বুর্জ হয়ে জ্বলে;
মেপেই আসুক –
রিয়াল অপেক্ষা বুকের উষ্ণতা কত
বেশী কম।
হঠাৎ বা’দিকে টেবিলে রাখা গোলাপটাতে চোখ পড়তেই -
প্রতিবেশী ছেলেটার দেখানো নতুন
ঘরের স্বপ্নের বুর্জ হেসে উঠল।
মরুবুর্জ আর স্বপ্নবুর্জ কলির
রাধাকে নিয়ে এখন শ্যাম-কুল নৌকায়;
কে জিতবে - তা আজ রাতে বুকের
শব্দটাই বলবে।
কবিতা-২
পাসওয়ার্ড
ভালবাসার খেলায় চাতক আর এখন জিততে
পারে না; খরগোশ
সব লুটেপুটে নেবার পর কচ্ছপও কিছু পেতে পারে; কিন্তু চাতক এযুগে নৈব নৈব চ।
টেরামাইল গতির খরগোশগুলোর কাছে সব
আপেল, টমেটো
মাইক্রোসেকেন্ডেই লাউ হয়ে যাচ্ছে; কোন কূটনৈতিক চুক্তিই থামাতে পারছে না স্ফীতির বিবর্তন।
আখের ছিবড়া নিয়ে আমি কী করব।
দোহাই তোমাদের, ঈশ্বরের
সফটওয়্যারটা হ্যাক করে সব আপেলে পাসওয়ার্ড দিয়ে দাও।
কবিতা-৩
সাদা
দেয়ালটাকে প্রতি শনিবার সাদা -
আরো সাদা করি
কোনদিন যদি দেয়ালটা মন হয়ে
যায়
মসজিদ,
মন্দিরের দেয়াল সাধারণত সাদা,
ধবধবে সাদা
ওই শুভ্রটার মাঝেও দেখা যায়
শকুনির লাল জিহ্বা –
হিংসার হোলি –
প্যান্ডোরার নয়া বাক্স
কারো কারো ঈশ্বর মনে হয় বর্ণান্ধ
বা একরঙা


Many thanks bro
উত্তরমুছুনআপনার কবিতা বেশ ভালো লেগেছে ৷ ২য় কবিতায় চাতক ইঃ রূপকগুলো সুপ্রযুক্ত ৷ ৩য় কবিতাটা ??
উত্তরমুছুন