নীলশাদা।না,শাদানীল ! ফরসা রোমান্টিকে দুলিয়ে দেয়া বাংলার অজস্র ঠিক-বানান।
ছবিটি মাছরাঙা জলে ভিজিয়ে তুলে এনে সেঁটে দেয়া।অমনি হিজলবনে এক দল কিচির জেগে - উদাস
পেড়ে আনল।উজ্জীবিতমরণ টানল রেখা - হাঁফ (=হার্ট) ও হাপিত্যেশ বরাবর । একটি তারাকে স্ফটিক
করে দিলে যে সরোবর তৈরি হয়ে অমনি একটি নৌকো ফুটে ওঠে অমনি একটি ভিনদেশি পীরিতি ঝাঁপ।
বা এরকম হল গো - একটি গাঁ-কে না-গুটিয়ে লম্বা সবুজ আল ফোটালে ছিপছিপে ফড়িং ছিলাটান ছুটল পারুল পারুল গন্ধে।চোখভর্তি
হাসির ফোঁটায় হিমশৈলের দাঁতে টোকা টাইটানিক।ধ্বংস বা শুরু।
#অনুষঙ্গ যা পেলাম-এক#
গোবর নিকানো হাতের দখল নেব না।নিকোও ঘর।রাস্তার পইপই বিবেকে হাঁটুক ওই নির্লোভ
দানাপানি চাওয়া হাত।"খুল যা সিম সিম" কার্ল মার্ক্স গলাভর্তি রাখো।রাতের
বুকের দু-উঁকিতে জমুক ইচ্ছেরোগ ও বংশবিস্তাররা! আমি শুধু ও দুহাতের উতলা এক ঘোঁট বুকে
নেব খুল্লম খুল্লা, গ্যালারি টইটই,দেবে ?দিব্যি,আর তছনছ করব না।ন্যাকা কাঁদব না।...
#অনুষঙ্গ যা পেলাম - দুই#
খাতাকাগজে জমল অ-বশ কিপটেমি।পোসেসিভ। 'আমি' পিলপিল করে তোমার ইচ্ছে অনিচ্ছের
ত্বকে ছ্যাকা দিতে থাকে।উষ্ণ জলের সোঁ সোঁ আওয়াজ যেমন রান্নাঘরে।
#
অথচ,ব্রহ্মাণ্ড সবার - আলো, আলোর জুস আঁধার...


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন