পালকে বেদনা নিয়ে জলের মৎস্যকে
তোমাকে পালক ভেবে উড়েছিলো পুরাতন ডানা; এই সত্য সেও জানে—ডানা থেকে ছিঁড়ে নিলে গ্রথিত পালক, সাদা মাংসে থেকে যায় রক্তের বিন্দুর মত ঈষৎ গ্রহণ— বেদনারা অদৃশ্যে ভোরের ভাস্কর্যের কোমরে হাত রেখে দাঁড়িয়ে থাকে গর্বিত যোদ্ধার বলিরেখায়।
তন্দ্রাচ্ছন্ন হলে হাত বাড়িয়ে স্তন ছুঁতেও ইচ্ছে হয় না
লতার পাশেই বৃক্ষের মত বেড়ে ওঠে স্নেহ
সতেরোশ’ মাইল গেলে অন্ধও পেছনে তাকায় ঝড়ের তাণ্ডব কিছু অশ্রদ্ধা করে...
এরকম কতগুলি সত্যের মতই আমার প্রপিতামহের মৃত্যু হয়েছিল তার জন্মের আগে।
হে সৌভাগ্যবান মৎস্য, সমুদ্রের নুনের উৎস আমাদের আর অজানা নয়। সেইসব মৃত মানুষদের ছবি দেখতে দেখতে তোমাদের দুঃখ আঙুলের ডগায় নিয়ে আমরা ভাত খেতে বসি
তন্দ্রাচ্ছন্ন হলে হাত বাড়িয়ে স্তন ছুঁতেও ইচ্ছে হয় না
লতার পাশেই বৃক্ষের মত বেড়ে ওঠে স্নেহ
সতেরোশ’ মাইল গেলে অন্ধও পেছনে তাকায় ঝড়ের তাণ্ডব কিছু অশ্রদ্ধা করে...
এরকম কতগুলি সত্যের মতই আমার প্রপিতামহের মৃত্যু হয়েছিল তার জন্মের আগে।
হে সৌভাগ্যবান মৎস্য, সমুদ্রের নুনের উৎস আমাদের আর অজানা নয়। সেইসব মৃত মানুষদের ছবি দেখতে দেখতে তোমাদের দুঃখ আঙুলের ডগায় নিয়ে আমরা ভাত খেতে বসি
আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিলো
যখন বৃক্ষের বাকলও দারুচিনির মত সুস্বাদু ছিলো; ডিঙি নৌকোর মতো আদিম মাছের ডিম খুঁজছিলো গাঙচিলের বহর, একটি মৃত কাকের পাশ দিয়ে হেঁটে গেলে যেরকম ছোঁ মেরে নেমে আসে এক লক্ষ জীবন্ত কাক ঠিক সেই ভঙ্গিতে কাঁধে আছড়ে পড়তো কারও কারও অশ্রু—তৎক্ষণাৎ আমরা তার নাম দিয়েছিলাম বৃষ্টি এবং সেই সভ্যতা যোগ্য করে তুলেছিলো আমাদের;— যোগ্যতার প্রমাণস্বরূপ আমরা শিকার করতে চেয়েছিলাম আমাদের সামগ্রিক বেদনাকে—যারা ডিঙি নৌকোর মত খুঁজছিলো আদিম মাছের ডিম।
প্রকৃতপক্ষে সেই মুহূর্ত থেকেই আমাদের মৃত্যুর দিকে যাত্রা শুরু।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন