যে-রাজহাঁসের ঘরে আমি ঘুমাই তার দরজা জানালা নেই, এতযে
অন্ধকার রক্ত থেকে শীত যায় না তবু ব্রহ্মান্ডের বাতাসে দেহ পুড়ে
যায় আমার চোখের পাথর ভিজে ওঠে, যে-ভোর বেজে ওঠে নক্ষত্র
হাতে নিয়ে তোমারও অপেক্ষা?
যে-নদীতে ভেলা সেখানে পাখির কবর, যে-কবরের ঘরে বুনো ঘ্রাণ
অন্ধকারের টানে জগতের মর্মে কত জোয়ার ভাটা , আমার কান্না
অন্ধকারের টানে জগতের মর্মে কত জোয়ার ভাটা , আমার কান্না
কিন্তু নীচু হয় আর গ্রহ বুঝিনা বলে নীলা মানায় না আমাকে , অন্ধকারে
তোমার আঙুল কিন্তু বুঝি কত চাঁদ পেরিয়ে আসো, বৃক্ষ খুলে নিয়ে
এসেছো চাঁদ , চাঁদের রক্তে ভেসে যায় সকাল ঢেউ চিনিনা বলে কি
এসেছো চাঁদ , চাঁদের রক্তে ভেসে যায় সকাল ঢেউ চিনিনা বলে কি
ভাসান হবে না কোনো পাখির ?
শাদা শাড়ি পরে বেহুলা হয় যদি কোনো পাখি , এই পৃথিবী শুয়ে থাকে
বেহুলার কোলে প্রথম বিধবা সেই পাখির জন্য নির্দেশ হয়েছিল
শাদা রাজহাঁসের যে-ঘরের দরজা জানালা নেই



বরাবরের মতো আরও একবার "কচি রে্জা"য় মুগ্ধ হলাম। বার বার পড়বার মত কবিতা। অসাধারন।
উত্তরমুছুন