ফিরে দেখার মুহূর্তে
১
শুধুমাত্র সীমাবদ্ধতাটুকু কাটিয়েই চলে এলে এতদূর
এই প্রবাসের গতিহীনতার কথা না হয় বাদ-ই দিলাম
বাকি অবশেষ থেকে ঘিরে ধরা দাগ
দাহ – শুধু কি উজ্জ্বলতাই দাবি করে?
এই প্রসঙ্গে আরও একটা উপস্থাপনার কথা ভেবে বসি
একটা সকাল পালটে যাচ্ছে প্রতিদিন
আর সেই থেকে, রাস্তায়-ঘাটে দেখা যায়
মৌচাকের মত প্রসঙ্গহীন হয়ে পড়ছে একের পর এক ছবি
ঠিক যতবার বাদ্যযন্ত্রের ওপর কাঠি পড়ছে
ঠিক যত যত বার – চলে যাচ্ছে স্টেজের পেছনে
একটা প্রখর রুমালের দাগ
ততবার আচ্ছন্ন হয়ে পড়ছি আমরা
এই বাক্সবন্দী খেলায়
২
আমাদের শুধু পথ আছে
সময়ের ওপর একটা থকথকে আঁশের মত ঘরবাড়ী
তার বিস্তীর্ণ পরিসীমা ছাড়িয়ে
যেই ঘুমিয়ে থাকল নোনতা আবহাওয়ায়
দেখলাম – আরও একটা পাথরের টুকরোর ওপর অন্যান্য
জলোচ্ছ্বাস
অস্থিরতা বুঝি একেই বলে
শুধুমাত্র সমুদ্রের ধারণাটুকু পেলি না বলে
পাহাড়ের রাস্তায় বিলি কাটতে কাটতে ঘুমিয়ে পড়লি সারারাত
এক নিরুদ্দেশ জীবনযাপনের শেষে
আরও একটা নিরুদ্দেশ
প্রস্তরখণ্ডের মুখে
খাঁচা
একটা শব্দহীন অনুকম্পার শেষে
এই যা কিছু জারণের অপেক্ষায় থাকে
একটা স্টিলের খাঁচা থেকে সুস্পষ্ট মরচের দাগ,
জলস্তর
পারস্পরিক অবস্থান ভুলে
বয়ে যেতে থাকে স্তব্ধ নিয়নের দিকে
আমরা এই শিকড়ের কথাই ভাবি
একটা তলদেশ অসম্পূর্ণ রেখে, আলগা হতে থাকে মাটি
পায়ের তলা থেকে একটা স্পর্শকাতর মুহূর্তে
বাড়ি, ঘর, রাস্তাঘাট – যা কিছু বিস্ময়সূচক,
ধীরে
ধীরে বদলে যেতে থাকে
একটা
ঋজু সহাবস্থানের দিকে
আমরা বাতাস ও রোমকূপের পারস্পরিক তাপ সঞ্চালনে
গতিমাত্রিকতার ধারণা পাই


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন