খুব কাছ থেকে দেখা সোনা বউ
আমার হাতে তুলে দিয়েছিল সদ্যজাত লাল হলুদ ঘুঁটি
উদ্বাস্তু ছায়ারা তখন ছিল আমাদেরই আশেপাশে
ঝোপে ঝাড়ে গভীর হয়ে উঠেছিল
কালোর পাশে তার সাদা রঙের দোসর
এই ডাঙায় বনভোজন হয়েছিল সেদিন
উড়েছিল রকমারি বেলুন
ধনেখালির নীল ডুরে শাড়ি
সবুজ বনবাংলোর ছবি আঁকতে বসে
এলোমেলো কদমগাছ
শেষ রাতের সঙ্গমসুখ
যেমন ভোরের বৃষ্টি যেমন তোমার বুকের সোঁদা গন্ধ
নিপুণ হাতের কারুকাজে খুলে ফেলা তোমার খাসমহল
টাটকা নদী সুবর্ণরেখায় অনেক হাবুডুবু বাথান
রাঙা মামীমার তলপেটের মায়া
সোনা বউ নিভাঁজ পাতার শব্দে মিশিয়েছিল শীৎকার
যারা উড়োপাখির বংশানুক্রমিক খবরাখবর রাখে
সরণি থেকে সড়ক বেয়ে ওড়ায় উড়োজাহাজ
সোনা বউ চাঁদের নরম মাটিতে আঁচল ছড়িয়ে
খুব কাছ থেকে আমার মুখে তুলে দিয়েছিল সদ্যজাত দুধের ভাঁড়ার


এই মন্তব্যটি লেখক দ্বারা সরানো হয়েছে।
উত্তরমুছুনঅনেক ভালো লাগা রইলো। ধন্যবাদ কবিকে।
উত্তরমুছুন