ঝনঝন শব্দ-ভঙ্গুর একচিলতে শ্বাস।
অনাবৃত যন্ত্রণা । মৃত্যুর লোকাসে প্রসববেদনা অনিবার্য। মৃতেরা উঠে দাঁড়ায়,
কিছুটা পথ হাঁটে জীবনের সাথে।
শরীরী-কঙ্কালের সাথে মিশে থাকা মাংসের মত।
হাজার ঘেরাটোপ এলোমেলো ঘোরান ঘোরপথ
খোলা দরজার খোঁজ.........
অনুসিদ্ধান্ত আমারই
বাইরে কাচের দেওয়াল
ভেতরে ফুঁসরে ওঠা বদ্ধশ্বাস
প্রতি মুহূর্তে ডিম ফুটে
জন্মাচ্ছে ফুটফুটে মৃতরা
যেমনটি ভেঙ্গে পড়ে অযাচিত
নিষিক্তভ্রূণ
শীৎকারনিবন্ধে নিঃস্পৃহ স্বাধীনতা
এখনো সময় আছে কি জীবিতের ওষ্ঠ চুম্বন?
বালির তিক্ত খেয়ালে বানানো
চোরাবালি। শূন্য চোখ, বিবর্ণ-ধ্বংস-মুখ।
দুই পায়ে দৌড়ে বের হওয়া গেল না। যেখান থেকে ফেরার যাত্রা শুরু করেছিলাম আকারহীনতা
চেয়ে।
সূর্যের সামনে কিছুই নতুন নয়
শুধু একটা রেখা দাঁড়িয়ে
রেসিংট্র্যাকের মত
ছুটছে পা’গুলো
ব্যথার কোলাজ বোঝে
পথচারী জুতোর তলায় লাগানো পিন
মরণকামী মৃত্যুহাত অচ্ছুৎ যাদের
মরণ গিলছে আজ হাজারো জীবনের
দীর্ঘশ্বাস
আগুনের ভাবাবেশকর চুম্বন। সিগার-জ্বালানো বিজড়িত
ধোয়া-বলয় গিলছে জিঘাংসা। ফুসফুস জুড়ে নেশারা উড়ছে পতপত করে। যেদিন থেকে আগুনের
গণিত শিখেছে মানুষ, জ্বলতে
আর জ্বালাতে জেনেছে ফুলের পাপড়িগুলো।
চারিদিকে আগুন জ্বলছে বলেই তো এতো
ভয়!
ঠোকাঠুকিতেই আগুণ এটা সত্য
ধোঁয়ার কুণ্ডলী পাকানো সিগারেট
ভলক্যানো জ্বলছে
ব্যথার আঙ্গুলগুলোর ফাঁকে
আমরা খোঁজ নিই না
জীবিত অথচ মৃতের
কবরের নিচে চলে যাওয়া গোপন
হত্যাকারীর
স্বপ্নের গভীরতায় বাস্তবের ছুটি।
জঠরের আগুন, হিংসের
কুঠার নিয়ে আমরা খুঁড়তে পারি দীর্ঘ –ঘুমন্ত–আগ্নেয়গিরি। আমরা প্রকাশ করতে চাই উল্লাস,
কান্নারা ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি নয়,
মুষলধারে পরবে যখন। চাহিদারা আগুন
হয়েছে কবেই।


...যেদিন থেকে আগুনের গণিত শিখেছে মানুষ, জ্বলতে আর জ্বালাতে জেনেছে ফুলের পাপড়িগুলো...কান্নারা ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি নয়, মুষলধারে পড়বে যখন। চাহিদারা আগুন হয়েছে কবেই...খুব ভালো লাগলো গোটা কবিতাটাই
উত্তরমুছুনঅসম্ভব প্রাসঙ্গিক কবিতা ! হত্যাদৃশ্য --- বোধের, বিশ্বাসের অথবা প্রেমের ! কবির যন্ত্রণা কবিতার দীর্ঘশ্বাসে । সাধু।
উত্তরমুছুনএই মন্তব্যটি লেখক দ্বারা সরানো হয়েছে।
উত্তরমুছুনvalo laglo
উত্তরমুছুনআশ্চরয এক গণিত! আগুনের গণিত। পড়তে পড়তে হারিয়ে যেতে হয় এক অনন্য গণিতক্লাশে। কবিকে অভিনন্দন।
উত্তরমুছুন