(১)
এক অন্তর্ঘাত মিশে থাকে সাঙ্কেতিক কুসুমে
দেহ- হীন পোশাক ঢেউ তোলে পোশাক-হীন সহস্র মুখোশের
মুখোশের ঘরে বাসা বাধা ইমেজারি অক্ষর
চেনা মুখ...অচেনা শব্দের ভাষার খিলান
এগিয়ে আসে শিটের পিরামিড
সারি সারি পর্দাগুলো মৃতের দেওয়াল
পারার আগুনে ভাঙ্গতে থাকে সূর্য
ত্রিমাত্রিক ম্যানিফোল্ড
মুখোশেরা হাঁটছে জেনেই নিঃশব্দ বন্ধ কপাট
জানালার শরীর বেয়ে যে গাছটি লতিয়ে উঠলো
তার নাম রাখা হল দ্বিধাহীন আপস।
(২)
ভাসণের সূত্র মেনেই নিম্নজ্জিত হতে থাকে
ভেসে থাকার প্রশ্রয়
জলচাদর
মলাটের ফাঁকে মুখ গুঁজে থাকা কাঙালপনা
আড়াল থেকে কুয়াশার দিকে সরে আসছে একডুব
টানছে স্বমেহনের গতি
টার্কোয়াজ স্রোত
এই মুহূর্তটা
চলে গেছে নরম যোনির দেশে
একেকটা রোদচুল ধরে ধরে
চুলের তলে তলে আঙ্গুলের কাম
কিভাবে এই ফ্রেম ধরে রাখতে পারে
মাত্রাগুলোকে?
এই ভার বহন
রোদান্তর
নিজেকে
সহস্র পেলব খুন
ঠিক মতো ভাসতে জানলে ডোবার ভয় নেই
তবুও ঝুঁকিপ্রবন শরীর খুঁজে ফিরছে
ইতি
ইতি খড়কুটো।


onobodyo..
উত্তরমুছুনএই মুখোশের শহরে মুখোশহীন কবিতা। এই পোশাকি সভ্যতার পোশাক খুলে দেয়া কথামালা। ধন্যবাদ কবি।
উত্তরমুছুন